অফবিট

বর্গক্ষেত্র কিংবা ত্রিভুজ না হয়ে কুয়ো সবসময় গোলাকৃতি হয় কেন? প্রায় অধিকাংশ মানুষই বলতে পারেন না

বহু প্রাচীনকাল থেকে যখন প্রযুক্তি উন্নত হয়নি সেই সময় থেকেই চৈনিক সভ্যতায় আনুমানিক আট হাজার বছর পূর্বে প্রথম পাতকুয়ো খনন করা হয়েছিল। ইতিহাস ঘাটলে জানা যায়,ভারতবর্ষে ও ইজরায়েলে একই সময়ে কুয়োর ব্যবহার শুরু হয়। বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে কুয়োর ব্যবহার অনেকটা কমে গেলেও আজও গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন স্থানে তা দেখতে পাওয়া যায়।

প্রথমত,মাটি খুঁড়ে গর্ত করে কুয়োর ব্যবহার শুরু হলেও পরবর্তীতে ইট দিয়ে গেঁথে দেওয়ার প্রচলন হয় এবং সেই সময়কার মানুষেরা কুয়া খনন করা কিংবা কুয়ো পরিষ্কার করা প্রভৃতি কাজকে নিজেদের পেশা হিসেবে চিহ্নিত করে নেন। বর্তমানে লিভারের সাহায্যে বালতি দিয়ে থেকে জল তোলা হয়ে থাকে কুয়ো থেকে। যদিও এইভাবে জল তোলা যথেষ্ট পরিশ্রম সাধ্য কাজ।

এখনো ভারতবর্ষের নানান প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যবহার করা হয় কুয়ো। এছাড়াও মাঝেমধ্যে পরিলক্ষণ করা যায় পরিতক্ত কুয়ো। তবে সর্বক্ষেত্রে একটি বিষয় সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয় তাহলো কুয়োর আকৃতি। কখনো কি ভেবেছেন কুয়ো সবসময় গোলাকার কেন হয়? গোলাকার না হয়ে আয়তক্ষেত্র,চতুর্ভুজ কিম্বা ত্রিভুজাকৃতির কখনোই পরিলক্ষিত হয় না কিন্তু এর নেপথ্য কারণ আমরা হয়তো অনেকেই জানি না।

জানা যায়,আয়তক্ষেত্র বর্গক্ষেত্র কিংবা ত্রিভুজ আকৃতির হলে কুয়োর কোণে জলের চাপ সর্বাধিক পড়বে। যার ফলে কুয়োটির পার্শ্ববর্তী স্থান ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া অসমতা তৈরি হবে কিন্তু কুয়ো যদি গোলাকৃতির হয় সেক্ষেত্রে জলের চাপ সর্বত্র সমান থাকবে এবং কুয়ো থাকবে স্বাভাবিক ও মজবুত। এই কারণে জলের চাপের সমতাজনিত কারণে সাধারণত কুয়ো গোলাকৃতির হয়ে থাকে!

Related Articles