দেশনিউজ

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক? উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ভারত

কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Home Minister Amit Shah) এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Defense Minister Rajnath Singh) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (National Security Adviser Ajit Doval) মঙ্গলবার বৈঠক করেন। গত রবিবার বায়ু সেনা বিমান ঘাঁটিতে হঠাৎ ড্রোন হামলা করা হয়, গত তিন দিনে মোট পাঁচবার জম্মু সেক্টরে ড্রোন নজরে এসেছে। জানা গিয়েছে এই হামলার পেছনে হাত রয়েছে লস্কর-ই-তৈবার। সম্প্রতি কাশ্মীর উপত্যকায় জঙ্গী তৎপরতা বেড়েছে। এদিনও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে দুজন দাগী জঙ্গি মারা পড়েছে।

জম্মু-কাশ্মীরের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়েই এদিন এই বৈঠক হয়। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে বিকেল চারটে থেকে শুরু হয় বৈঠক। জানা গিয়েছে এই বৈঠকে জম্মু এয়ারবেসে ড্রোন হামলার পর সেখানকার নিরাপত্তা সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এই ধরনের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছিল 2016 সালে উড়ি সেনা ঘাঁটিতে হামলার পর, আর তারপরেই ভারত হামলার জবাব দিয়ে করেছিল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক (Surgical strikes), তাই এবারও জম্মু বায়ুসেনার ঘাঁটিতে আক্রমণ হওয়ার পরেই এই বৈঠক হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা তৈরি হয়েছে।

রবিবার উচ্চ নিরাপত্তা যুক্ত জম্মুতে অবস্থিত বায়ুসেনার বিমানবন্দরে সামান্য সময়ের ব্যবধানে পরপর দুইটি বিস্ফোরণ হয়, বিস্ফোরণের ফলে বায়ু সেনার একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দুজন সেনা আহত হয়। এই বিমানবন্দরটি পাকিস্তান থেকে 14 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ প্রধান দিলবাগ সিং জানিয়েছেন, অনুমান করা যাচ্ছে এই হামলার সাথে যুক্ত রয়েছে পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba)।

রবিবার দিন হামলার পরেও সোমবার এবং মঙ্গলবারও সামরিক ঘাঁটি গুলির কাছাকাছি ভোরের দিকে ড্রোন ঢুকতে দেখা গিয়েছে।সোমবার কুলচক সেনা ঘাঁটির কাছে দুটি ড্রোন ঘুরতে দেখা গেছে। সেনাবাহিনি জওয়ানদের তরফ থেকে সেগুলিকে গুলি করা হলে ড্রোনগুলো পালিয়ে যায়, এরপর মঙ্গলবার ভোরের দিকেও জম্মুর তিন জায়গায় ড্রোন নজরে এসেছে। সন্দেহ করা হচ্ছে এই ড্রোন গুলি পাঠানোর পেছনে লস্কর-ই-তৈবা হাত রয়েছে। মনে করা হচ্ছে জম্মু-কাশ্মীরে সম্প্রতি শুরু হওয়া মোদির রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের আক্রমণ চালাচ্ছে জঙ্গী সংগঠন।

Tags

Related Articles

Close