×

এইভাবে বাড়ির টবেই চাষ করুন কাঁকরোল, ১২ মাস দেবে ফলন, শিখে নিন পদ্ধতি

খনিজ পদার্থ,আয়রন,ক্যালসিয়াম,ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট,বিটা-ক্যারোটিনে ভরপুর কাকরোল হলো ভারতীয় উপমহাদেশে উপলব্ধ একটি গ্রীষ্মকালীন সবজি যা শারীরিকভাবে মানুষকে পুষ্টি জুগিয়ে আরোও সুস্থসবল করে তুলতে সাহায্য করে। তবে বাজারে খুব সহজেই সহজলভ্য এই সবজিটিকে আপনারা খুব সহজেই বাড়িতে ঘরোয়া পরিবেশে চাষ করে খেতে পারেন সেটাকি জানেন? আসুন আজকে আমাদের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নিন কিভাবে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে বাড়িতেই গাছের টবে ফলাবেন কাঁকরোল!

1.যদিও সব রকমের মাটিতেই কাঁকরোলের ফলন ভালো হয় তবে এঁটেল বা দোয়াশ মাটিকে ভালোমতো রোদে শুকিয়ে ঝরঝরে করে তার মধ্যে সরিষার খোল পচা বা চা পাতা পচা সার হিসাবে প্রয়োগ করে মাটির সাথে ভালো মতো মিশিয়ে রাখতে হবে।

2.কাঁকরোল চাষের উপযুক্ত মাটি তৈরি হয়ে গেলে আগের দিন নার্সারি থেকে কাঁকরোলের উৎকৃষ্ট মানের বীজ এনে সেই বীজকে সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন মাটিতে পুঁতে দিতে হবে।

3.কাঁকরোলের ফলন ভালো বৃদ্ধি করতে গোবর সারকে শুকিয়ে গোড়া থেকে খানিকটা দূরে রোপণ করতে হবে। মাঝেমধ্যে গোবর সার প্রয়োগে কাঁকরোলের ফলন ভালো হবে।

4.বীজ থেকে চারা জন্মানোর পর ভালো করে পরিচর্যা করতে হবে। এর পরে গাছ বৃদ্ধি পেলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে গাছটিকে বেঁধে দিতে হবে। এছাড়াও গাছের গোড়ায় আগাছা জন্মাতে দিলে হবে না ও জল নিকাশির সুগম ব্যবস্থা রাখতে হবে।

5.কাঁকরোল গাছকে পোকা মাকড়ের আগ্রাসন থেকে মুক্ত রাখার জন্য প্রয়োগ করতে হবে কীটনাশক। এছাড়াও ঘরোয়া কীটনাশক হিসেবে কয়েকটি রসুন থেঁতো করে নিয়ে লংকার গুঁড়োর সাথে জলে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। সাধারণত জাবপোকায় আক্রান্ত হয়ে থাকে এই সবজি আর এই কারনেই আক্রান্ত গাছের বিশেষ স্থানটিকে সন্তর্পনে ছিড়ে নিয়ে দূরে গিয়ে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

6.এক্ষেত্রে মনে রাখা ভাল বীজ বপনের দেড় থেকে দুই মাস পর গাছে ফুল আসে এবং তারও কিছুদিন পরে ধীরে ধীরে ফলন হতে শুরু করবে গাছে!