বিনোদন

Jeet: জন্মসূত্রে অবাঙালি হয়েও বাংলার সুপারস্টার, ঠিক যেভাবে টলিউদের হিরো হয়ে উঠলেন জিৎ

স্বপ্ন ছিল বলিউডের এক বিরাট সুপারস্টার হবেন! যে স্বপ্ন তাকে তাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল 1995 সালের মুম্বাইয়ে। তবে দু’বছরের প্রচেষ্টায় একটি মিউজিক অ্যালবামের কাজ ছাড়া কিছুই জোটেনি কপালে। ব্যর্থ হন একের পর এক মুভি অডিশনেও। তবে পরবর্তীতে ভাগ্যের ফেরে তিনিই হন টলিউডের সর্বকালের অন্যতম সেরা সুপারস্টার।

হ্যাঁ আমরা এখানে কথা বলছি জীতেন্দ্র মাদনানি অর্থাৎ সকলের প্রিয় জিৎ এর ব্যাপারে। 1994 সালে “জন্মভূমি” ও “বিষবৃক্ষ” নামক দুটি ধারাবাহিকের মাধ্যমে অভিনয় শুরু করেন তিনি। তবে মডেলিং এর মাধ্যমেই পা রেখেছিলেন অভিনয় জগতে। সেই সময় নবাব গেঞ্জির মুখ ছিলেন তিনি। হিন্দি ছবির প্রতি ভালোবাসা তাকে মুম্বাইয়ে নিয়ে গেলেও পরবর্তীতে দক্ষিণী ছবিতে অভিনয় করার সুযোগ মেলে।

তবে তার প্রথম দক্ষিণী ছবি “চান্দু” বক্স অফিসে বেজায় ফ্লপ করে। অগত্যা! তিনি ফিরে আসেন কলকাতায়। সেই সময় পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী তাঁর ছবির জন্য খুঁজছিলেন এক নতুন মুখ সেই সময়কার সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে কলেজ ছাত্রের এই রোলটি অফার করা হলেও তিনি ফিরিয়ে দেন। আর ভাগ্যের ফেরে তা এসে জোটে জিতের কাছে। আর পথচলার শুরু হয় বাংলা টেলিভিশন জগতে। 2002 সালে তাঁর অভিনীত “সাথী” ছবি ব্যাপক পরিচিতি পায় দর্শকমহলে।

নতুন নায়কের অভিনয় দেখতে হলে ভিড় জমাতে থাকেন বঙ্গবাসীরা। যার ফলে জিতের এই ডেবিউ মুভি ব্যবসা করে প্রায় 9 কোটি টাকার। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি একের পর এক সঙ্গী, নাটের গুরু, দুই পৃথিবী, অসুর, শুভদৃষ্টি, বন্ধন ইত্যাদি ব্লকবাস্টার বাংলা সিনেমা উপহার দিয়ে গেছেন। বর্তমানে টলিউডে অন্যতম সুপারস্টার তিনি। আর তার এই স্ট্রাগলের এই কাহিনী মনে করিয়ে দেয় শুধুমাত্র প্রতিভা এবং অধ্যাবসায় এনে দিতে পারে সাফল্য যা চিরন্তন!

Related Articles