অসাধারন কণ্ঠস্বরে দুর্দান্ত গান গেয়ে মুগ্ধ করলেন গরিব কাঠ মিস্ত্রি, নেট দুনিয়ায় প্রশংসার ঝড়

কার মধ্যে কি গুন লুকিয়ে আছে সেটা বোধহয় সৃষ্টিকর্তা ভগবান আর সে ছাড়া কেউ বুঝতে পারে না। অনেকেরই অর্থ কম থাকে। সমাজের এক শ্রেণীর মানুষ সেই সমস্ত দরিদ্র মানুষদের অনেক সময়েই ছোটো করে দেখে। যদি কোনও দরিদ্র মানুষের গুনও থাকে সেটা নিয়ে হাঁসাহাঁসি করে। তবে, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া তথাকথিত সমাজের উচ্চ শ্রেণীর মানুষদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে বহু অজানা শিল্প বেরিয়ে এসেছে। ঠিক তেমনই এবার সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই উঠে এলেন এক কাঠ মিস্ত্রি। যে কিনা গাইছেন ‘আমি যে জলসা ঘরে’। গান শুনে মনে হবে অবিকল মান্না দে।

অর্থের অভাবে পেশা যাই হোক না কেনও। শখ কখনও হারিয়ে যায়না। হয়তো চাপের জেরে নিজের শখের কথা অনেক সময় প্রকাশ করা যায়না। তবে কথায় বলে,’যদি মন থেকে কিছু চাওয়া হয় সেটা পাওয়া যায়’। যেমনটা হলো আনন্দ রায়ের সাথে।

আনন্দ রায় পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রী। কিন্তু এক কাঠমিস্ত্রীর গলায় এত সুর যেনও একেবারে মান্না দে। বাঁশের কাজ করতে করতে গান গাইছেন তিনি। এমনভাবেই অনায়াসে গান গাইছেন যেন মনে হচ্ছে কাঠ কাটা আর গান গাওয়া দুটোই তার কাছে বড় সহজ ব্যাপার। ফেসবুকে বর্তমানে ভাইরাল আনন্দ রায়ের গান।

বলে রাখি এই শিল্পীকে এই শিল্পীর গান খুঁজে বের করেছেন ‘লোকজ টিভি’ নামের একটি চ্যানেলের উদ্দোক্তারা। ইতিমধ্যেই তাঁদের ইউটিউব চ্যানেলে এই শিল্পীর বেশ কিছু গান রয়েছে। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেন্সেশন হয়ে উঠেছেন আনন্দ রায়। আনন্দ রায়ের গলার সঙ্গে মান্না দের গলার মিলে সকলেই তাকে পছন্দ করছেন। বলে রাখি, কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ার রাতারাতি সেলিব্রিটি হয়ে উঠেছিলেন লতা কণ্ঠী রানু মন্ডল। তিনিও কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেলিব্রিটি হয়েছিলেন। এবার পালা আনন্দ রায়ের।