×

স্টেশনে ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকলেও ইঞ্জিন বন্ধ করা হয় না কেন? বেশিরভাগ মানুষই উত্তর দিতে গিয়ে নাজেহাল হয়েছেন

বাস নাকি ট্রেন এর প্রশ্নের উত্তরে ৯০ ভাগ মানুষই ট্রেনকেই চুজ করবেন। কেবল দ্রুততার জন্য নয় ভারতীয় মধ্যবিত্তদের আরামদায়ক এবং পকেট ফ্রেন্ডলি যদি কোন যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে থাকে তা ট্রেন। আর এই কারণে ভারতীয় রেল হয়ে উঠেছে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক।

কাজের সূত্রে নিত্যদিনের যাতায়াত হোক বা ঘোরাফেরা বর্তমান যুগে যোগাযোগ ব্যবস্থার এক অন্যতম কর্ণধার হয়ে উঠেছে ট্রেন। কিন্তু এতদিন ধরে ট্রেন সফর করলেও ট্রেনের বিষয়ে অনেক প্রশ্নই কিন্তু অজানা। তবে একটা বিষয় প্রায় অনেকেরই হয়তো লক্ষ্য করেছেন যে ট্রেন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকলেও তার ইঞ্জিন বন্ধ করা হয় না। কিন্তু কেন? এই বিষয়ে অনেকের মনেই কিন্তু কৌতুহল বর্তমান। দেখা যায় ট্রেন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকলেও এর ইঞ্জিন বন্ধ করা হয় না। আজকে জানবো এর পিছনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণই…

সভ্যতার আদি বাহন ট্রেন। তাই ট্রেন সম্পর্কে মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। সব ধরনের ট্রেনের ক্ষেত্রেই দেখা যায় গন্তব্যস্থলে পৌঁছে তবেই ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়। অন্যান্য স্টেশনে এমন ভাবে ইঞ্জিন চালু রেখে দেওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে।

আসলে নানা রকম পদ্ধতির মাধ্যমেই ট্রেনের ইঞ্জিন চালু করা হয়। যা বেশ সময়সাপেক্ষ। তাই প্রতি স্টেশনের থামার পর ট্রেনের ইঞ্জিন বন্ধ করে আবার চালু করতে গেলে অনেকটা সময় ব্যয় হবে। এর মধ্যে যদি সিগনাল গ্রিন হয়ে যায় তাহলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকবে। তাই প্রথমত দুর্ঘটনা এড়াতে ইঞ্জিন সচল থাকে। পাশাপাশি ট্রেনের ইঞ্জিনে এয়ার কম্প্রেসার ব্রেক থাকে যা কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত বাতাস প্রয়োজন। প্রতি স্টেশনে ইঞ্জিন বন্ধ করলে এই ব্রেক কাজ করবে না।

আর তৃতীয়ত ট্রেনের ডিজেল ইঞ্জিন চালু করার সময় ব্যাটারীতে পুরো চার্জ থাকার প্রয়োজন। কিন্তু ট্রেন চলতে শুরু করলে ব্যাটারি চালিত আলো ফ্যান ইত্যাদি চলতে থাকায় ব্যাটারির চার্জ কমছে থাকে তাই মাঝপথে ট্রেনের ইঞ্জিন বন্ধ করলে তার চালু করা যাবে না। তাই অবশ্যই যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে ট্রেনের ইঞ্জিন বন্ধ না করার পেছনে।