×

কেন ট্রাফিক সিগন্যালে লাল, হলুদ ও সবুজ রঙ ব্যবহৃত হয়? প্রায় ৯৯% মানুষই উত্তর দিতে হন ব্যর্থ

সাধারণত প্রথমদিকে ট্রেন চলাচলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতো ট্রাফিক সিগন্যাল। যেখানে মূলত তিনটি রঙ থাকতো। লাল রঙ, যা বিভিন্ন রেলওয়ে প্রতিষ্ঠানগুলিতে ট্রেন থামানোর জন্য ব্যবহার করা হতো অন্যদিকে সবুজ, যা সতর্কতার জন্য ব্যবহার করা হতো আর সাদা রঙ, যা ট্রেন চলাচলের জন্য ব্যবহার করা হতো। কিন্তু বর্তমানে আমাদের রাস্তাঘাটে চলতে গেলেই সম্মুখীন হতে হয় ট্রাফিক সিগন্যালের। যেখানে রয়েছে লাল, সবুজ ও হলুদ রঙ। তবে, ঠিক কোন অর্থে এবং কীভাবে এই রঙের প্রচলন হয়েছে এ সম্বন্ধে ৯৯% মানুষ জানেন না বললেই চলে। চলুন তাহলে আজকের প্রতিবেদনে এই বিষয়ে জেনে নিন বিস্তারিতভাবে।

আসলে আমরা যতদূর জানি, ট্রাফিক সিগন্যালের লাল রঙের অর্থ তখন গাড়ি চালানো বন্ধ রাখতে হবে। হলুদ রঙের অর্থ সর্তকতা জারি করা এবং সবুজ রঙের অর্থ এখন গাড়ি চালানো যাবে। কিন্তু এই তিনটি রঙের প্রচলন কিভাবে ঘটল? সেই প্রসঙ্গ অনেকেরই অজানা। তাই আর দেরি না করে এবারে জেনে নিন সেই তথ্য সম্বন্ধে।

এক্ষেত্রে সর্বপ্রথম জানিয়ে রাখি ১৯৯০ সাল থেকে ট্রাফিক সিগন্যালে সাদা রঙের পরিবর্তে ব্যাবহার করা হয় হলুদ রং। হাসপাতাল ও স্কুলের আশেপাশে সতর্কতা হিসাবে সাদা রঙের পরিবর্তে শুরু হয় হলুদ রঙের ব্যবহার। কেননা এই রঙ, অন্ধকারাচ্ছন্ন জায়গাতেও স্পষ্ট দেখা যায়। এছাড়া, ট্রেন কাউন্টারদের মতে রাতের বেলা সাদা রঙ ঠিক বোঝা যেতোনা। মনে হতো আকাশে একটা তারা জ্বলজ্বল করছে। ফলে বেশিরভাগ সময় দূর থেকে সাদা রঙের সিগন্যাল বোঝা যেত না। তাই এখন সাদা রঙের পরিবর্তে ব্যাবহার করা হয় সবুজ রঙ।

এবারে জেনে নেওয়া যাক লাল রঙ সম্বন্ধে। এই রঙ হলো তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট রঙ। তাই তো বিপদের চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই রঙ। সেইসঙ্গে অনেক দূর থেকে এবং অন্ধকারচ্ছন্ন জায়গাতেও লাল রঙ স্পষ্ট বোঝা যায়। সেকারনে যুগ যুগধরে আজও ‘স্টপ’ প্রতীক হিসাবে রাস্তাঘাটে লাল সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।

Related Articles