×
Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.

মহালয়ার দিন কেন মা দুর্গার চক্ষুদান করা হয়? এই রীতির পিছনের কারন শুনলে চমকে যাবেন

বৈশাখ মাসে কাঠামো তৈরি করা হতো এবং জন্মাষ্টমীর দিন কাঠামো পুজো করা হতো

সারা বছর ধরে বাঙালি অপেক্ষা করে থাকে দুর্গাপুজোর জন্য। আর মহালয়ার দিন আসা মানেই বাঙালি মনে অদ্ভুত এক আনন্দের সৃষ্টি হয়। আর এই মহালয়ার দিনে পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়, আর এই দিনেই মায়ের চক্ষুদান করা হয়। কিন্তু মায়ের চক্ষুদান করা দিন হিসেবে কেন মহালয়ার দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে তা জানেন না অনেকেই। আজকের প্রতিবেদনে আপনাদের জানাব কেন মহালয়ার দিন দেবী মায়ের চক্ষুদান করা হয়।

এই মহালায়া দিনটি দেবীপক্ষের সূচনা হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। আর এই দিনে হারিয়ে যাওয়া পিতৃপুরুষদের স্মরণ করতে বাঙালিরা তর্পণ করে থাকেন। এর পাশাপাশি এইদিনই দেবী মায়ের চক্ষু দান করা হয়। মনে করা হয় এই দিনে দেবী মা মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ী রূপে রূপান্তরিত হন।

আগে জমিদার বাড়ি বা রাজবাড়িতে দুর্গাপুজোর চল ছিল। আর সেই সময় বৈশাখ মাসে কাঠামো তৈরি করা হতো এবং জন্মাষ্টমীর দিন কাঠামো পুজো করা হতো। আরে মহালয়ার শুভদিনটিকে বেছে নেওয়া হতো চক্ষুদানে জন্য। মহাসপ্তমীর নবপত্রিকা প্রবেশের পর হত মায়ের চক্ষুদান এবং প্রাণপ্রতিষ্ঠা।

দুর্গাপূজায় একাধিক আচার অনুষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো চক্ষুদান। আর এই চক্ষুদান পর্ব অনেক নিষ্ঠা ভরে পালন করতে হয়। মহালয়ার দিন সকালে শুদ্ধ কাপড়ে মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে ডানহাত কুশের অগ্রভাগ দিয়ে মাকে কাজল পরানো হয়। সবার প্রথমে মায়ের ত্রিনয়ন এবং তারপর বাম চোখ এবং তারপর ডান চোখ আঁকা হয়। এরপর 108 বার বীজ মন্ত্র জপের মাধ্যমে মায়ের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এভাবেই মা মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ী রূপে রূপান্তরিত হন।