×

যমজ সন্তান কেন হয়? ৮০% মানুষই সঠিক উত্তর দিতে পারেননি, আপনার জানা আছে তো?

একটি ডিম্বাণু বিভাজিত হয়ে জন্ম নেয় যমজ সন্তান

নারীদের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ উপহার হিসেবে গণ্য করা হয় তাদের সন্তানদের। আর অনেক সময় অনেক মা যমজ সন্তানের জন্ম দিয়ে থাকেন। তবে চিকিৎসা শাস্ত্রের মতে এই যমজ সন্তান হবার পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। অনেক সময় তারা দেখতে একরকম হলেও, তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আলাদা হয়ে থাকে। আবার অনেক সময় দুটি সন্তানের মধ্যে কোনরকম মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।

তবে এসবের পেছনে রয়েছে যথার্থ কারণ। কখনও একটি ডিম্বাণু বিভাজিত হয়ে জন্ম নেয় যমজ সন্তান। আবার কখনো একই সময়ে দুটি ডিম্বাণু তৈরি হয়ে যমজ সন্তান জন্ম নেয়। তবে কোন কারণের জন্য কেমন যমজ সন্তান জন্ম নেয় তাই নিয়ে আজকের প্রতিবেদন। চিকিৎসা শাস্ত্রের মতে তিন রকমের যমজ সন্তান হয়ে থাকে।

১) ভিন্নধর্মী জমজ- এই ধরনের যমজের ক্ষেত্রে চেহারা থেকে শুরু করে বৈশিষ্ট্যগত কোনরকম মিল পাওয়া যায় না। এইক্ষেত্রে বেশিরভাগ একটি ছেলে ও একটি মেয়ে হয়ে থাকে। তাদের তবে তাদের রক্তের গ্রুপ এক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এক্ষেত্রে দুটি শিশু দুটি আলাদা ভ্রুণঝিল্লিতে অবস্থান করে থাকে। যার ফলে এরা দুটি আলাদা প্লাসেন্টা থেকে পুষ্টি পেয়ে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে সমস্ত দম্পতিরা নিজেরা যমজ হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে এই ধরনের যমজ সন্তান হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

২) সমধর্মী যমজ- এই ধরনের যমজের ক্ষেত্রে একই ধরনের চেহারা বা বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। তবে এদের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ আলাদা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দুটি ছেলে বা দুটি মেয়ে হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একই ভ্রুন থেকেই জন্ম হয় এদের। এক্ষেত্রে একটি স্বাভাবিক ডিম্বাণু বিভাজিত হয় দুটি আলাদা ভ্রুণের সৃষ্টি করে, যারা একসাথে একই ভ্রুণঝিল্লিতে অবস্থান করে। যার ফলে এরা একই জায়গা থেকে পুষ্টি পেয়ে থাকে।

৩) যুক্ত যমজ- এই ধরনের যমজকে “সায়ামিজ টুইং” বলা হয়। ডিম্বাণু বিভাজনের সময় তা অসম্পূর্ণভাবে বিভাজিত বলে জন্মকালে যমজের দেহ একসাথে যুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে অপারেশনের মাধ্যমে তাদের দেহ আলাদা করা হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে এদের দেহ এমন ভাবে যুক্ত থাকে যে আলাদা করা সম্ভব হয় না।