×

হাওড়া ব্রিজে একটাও নাট বোল্ট ব্যবহার করা হয়নি কেন? এই সেতুর পিছনের কাহিনী শুনলে চমকে যাবেন

1965 সালের 14ই জুন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামানুসারে এই সেতুর নামকরণ হয়েছিল রবীন্দ্র সেতু

ভারত তথা পৃথিবীর অন্যতম ব্যাস্ততম সেতু হচ্ছে হাওড়া ব্রিজ। কলকাতা এবং হাওড়া সংযোগকারী এই সেতুটির নির্মাণ কার্য শুরু হয়েছিল 1936 সালে। তৎকালীন ইস্পাত নির্মাতা কোম্পানি টাটা স্টিল এর তত্বাবধানে এই সেতুটি প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার সুবাদে উঠে এসেছে এই সেতুকে ঘিরে এক অজানা তথ্য!

1936 সালে,ব্রেথওয়েট,বার্ন এবং জেসপ কনস্ট্রাকশন কোম্পানি নির্মিত এই 2313 ফুট দৈর্ঘ্য এবং 71 ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল যা শেষ হয় 1942 সালে। পরবর্তীতে,1965 সালের 14ই জুন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামানুসারে এই সেতুর নামকরণ হয়েছিল “রবীন্দ্র সেতু”!

তবে আপনি কি জানেন,এই সেতুটির কাঠামোতে রয়েছে এক অভিনব বিশেষত্ব। জানা যায়,বিশাল এই সেতুর কাঠামোটি সম্পুর্ন নাট বোল্টের ব্যবহার বিহীন। কেননা এই সেতুর কাঠামোটিকে একাধিক ধাতুর প্লেটের সম্মন্বয়ে তৈরি করা হয়েছিল। এছাড়াও তৎকালীন সময়ে হুগলি নদীর উপর দিয়ে প্রচুর পরিমানে জলজাহাজ চলাচল করত। তাই এই সেতুতে রাখা হয়নি কোনো পিলার।

মূলত,সমুদ্রপথে যাতে যানবাহন চলাচলে অসুবিধা না হয় সেই কারণেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রতিদিন পৃথিবীর অন্যতম আশ্চর্য এই সেতু দিয়ে প্রায় লক্ষ লক্ষ মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। অন্যতম আশ্চর্যের এই নির্মানটি বাঙালি তথা কলকাতার গর্ব। বিশ্বের কাছে বাঙালির অন্যতম পরিচায়ক এই সেতুটিকে ঘিরে সম্প্রতি এই তথ্যই ভাইরাল হয়েছে নেট দুনিয়া জুড়ে।