দেশনিউজ

ভারতের এই একটি মাত্র রেল স্টেশন, যেখান থেকে পায়ে হেঁটেই যেতে পারবেন বিদেশ! রইল ঠিকানা

ভারতের বৃহত্তম যাতায়াত মাধ্যম হল ভারতীয় রেল। প্রতিদিন বহু সংখ্যক মানুষ যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন রেলকে। স্বল্প খরচায় এক প্রান্ত থেকে অন্য স্থানে যাতায়াতের জন্য রেলের জুড়ি মেলা ভার। তাই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সকলেই রেলকে ব্যবহার করেন যাতায়াত মাধ্যম হিসেবে। আর এর কারণে ভারতে বহু সংখ্যক রেলস্টেশন আছে, যার সংখ্যাটি প্রায় ৭০৮৩। যদিও এই সংখ্যাটি নতুন নির্মীয়মান স্টেশনের সংখ্যাকে বাদ দিয়েই। প্রত্যেকটি স্টেশনের পেছনে রয়েছে একটি আলাদা আলাদা গল্প। তবে আজকের প্রতিবেদনে আপনাদের জানাবো দেশের শেষ রেলওয়ে স্টেশনের কথা।

দেশের সর্বশেষ রেলওয়ে স্টেশনের নাম হল “সিঙ্গাবাদ”। রেলওয়ে স্টেশনটি বহু পুরনো একটি স্টেশন, যা বিটিশ আমলে ব্রিটিশেরা তৈরি করেছিলেন। তারপর এটি আর সংস্করণ করা হয়নি। ব্রিটিশ আমলের আদতেই রয়ে গেছে এই স্টেশনটি। বর্তমানে স্টেশনটি খুব একটা ব্যবহৃত হয় না। তবে পণ্যবাহী ট্রেন এই স্টেশনের উপর দিয়ে এখনো চলাচল করে

এই স্টেশনটি মালদা জেলার হব্বিপুর এলাকায় অবস্থিত। এই স্টেশনটি ভারতের সর্বশেষ রেলওয়ে স্টেশন যেটি বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত। এই স্টেশনের পরের স্টেশনটি হলো বাংলাদেশের প্রথম স্টেশন “রোহনপুর”। সিঙ্গাবাদ স্টেশনটি আগে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য পরিবহনের দায়িত্বে ছিল। তবে বর্তমানে এটি খুব একটা ব্যবহৃত না হলেও, নেপালের পণ্য পরিবহনের ট্রেনগুলি এই স্টেশনের উপর দিয়ে যাতায়াত করেন।

একসময় ভারত বাংলাদেশ যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই স্টেশন বহুল ব্যবহৃত হতো। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর এখানে মানুষের যাতায়াত কমে যায়। ১৯৭৮ সালে এই স্টেশনে পুনরায় এই মালগাড়ি পরিবহন শুরু হয়েছিল। তবে এই স্টেশনে পা পড়েছে মহাত্মা গান্ধী, সুভাষচন্দ্র বসুর মতো মহান মানুষদের। তবে বর্তমানে এই নির্জন স্টেশন শুধুমাত্র বয়ে বেড়াচ্ছে পুরনো স্মৃতি। তবে বর্তমানে এই রুট দিয়েই যাতায়াত করে মৈত্রী এক্সপ্রেস।