নদীয়া সংবাদনিউজরাজ্য

নদীয়ার শান্তিপুরে ” পথশ্রী প্রকল্পে” রাস্তা উদ্বোধনে উপস্থিত জেলা পরিষদ সভাধিপতি ও অন্যান্য সদস্যরা

জেলা প্রশাসক স্তরে আলোচনা অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ১ তারিখ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত চলার কথা সমস্ত জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে।

মলয় দে নদীয়া:- গত ৬ ই অক্টোবর শান্তিপুর ব্লকের বাবলা পঞ্চায়েতের কদমপুর গ্রামে একটি রাস্তা উদ্বোধনে করলেন জেলা পরিষদ সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু এবং বিডিও সুমন দেবনাথ, জেলা পরিষদ সদস্য নিমাই বিশ্বাস। বিশেষ সূত্রে জানা যায় জেলা প্রশাসক স্তরে আলোচনা অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ১ তারিখ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত চলার কথা সমস্ত জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে।

প্রতিটি বিধানসভায় অনুষ্ঠান তালিকা এক তারিখ থেকে শুরু হলেও, শান্তিপুর ব্লকে শুরু হয় ৩ তারিখ থেকে। বিশেষ সূত্রে জানা যায় বাবলা পঞ্চায়েতের কদমপুরে রাস্তার উদ্বোধনে ডাক পেলেন না বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য্য, বাবলা অঞ্চলের প্রধান উন্নতি সর্দার সহ বেশকিছু পঞ্চায়েত সদস্য এবং সমিতির সদস্যবৃন্দ। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিনা প্রামাণিকের ওই অঞ্চলেই বাড়ি হওয়ার সুবাদে হয়তো উপস্থিত হয়েছিলেন! অনুষ্ঠান সচিব সময় অনুযায়ী তিনটাই শুরুর কথা লিপিবদ্ধ থাকলেও উপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য শেষ হতে প্রায় পাঁচটা বেজে যায়! তারপর রাস্তা উদ্বোধন দিয়ে শেষ হয়!

কিন্তু এদিন চারটের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় সমস্ত অনুষ্ঠান।উদ্বোধন হওয়ার পর অবশ্য বিধায়ক এবং পঞ্চায়েত প্রধান উপপ্রধান সমিতির সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কিছুদিন আগে আমাদের সংবাদেই উঠে এসেছিলো মতান্তর ভুলে “পথশ্রী প্রকল্পে” তৃণমূলের সকল নেতৃত্ব। কিন্তু গত ৭তারিখের ঘটনায় আবারও উঠে আসলো সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব !  সকাল ১১ টার মধ্যে উদ্বোধন শেষ করেই চলে গেলেন জেলা সভাধিপতি বিডিও , জেলা পরিষদের সদস্য! অথচ ওই হরিপুর অঞ্চলের প্রধান সোভা সরকার, উপপ্রধান, সাধনা বিশ্বাস, সহ পঞ্চায়েত এবং সমিতির বেশ কিছু মেম্বার সহ ব্রাত্য হলেন বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য্যও ।

অথচ শান্তিপুর বিধানসভার অন্তর্গত পথশ্রী প্রকল্পের সমগ্র ব্যবস্থাপনা জেলা পরিষদের সদস্য নিমাই বিশ্বাস এবং প্রত্যেক রাস্তার উদ্বোধক হিসেবে বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য্যর নাম লিপিবদ্ধ থাকলেও এ বিষয়ে তারা কিছু জানাতে রাজি হননি সংবাদমাধ্যমকে। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা যায় সময় পরিবর্তনের কথা তাদেরকে জানানোই হয়নি। তবে যাই হোক এলাকাবাসী মনে করেন উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়নি এতোটুকু! তাদের বহু প্রত্যাশিত হরপ্রসাদ ত্রিবেদী স্ট্যাচু থেকে মেথিরডাঙা সুইচ গেট পর্যন্ত রাস্তার কাজ অবশেষে শুরু হলো।

Tags

Related Articles

Close