নদীয়া সংবাদনিউজরাজ্য

গৃহহীন পরিবারকে মাথার ছাদ উপহার দিলো নদীয়ার শান্তিপুরের পূর্ণিমা মিলনী সংঘ, নাম রাখল “ভালোবাসার আশ্রয়”

শান্তিপুর ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হরিপুর নতুন পালপাড়া এলাকার এক দরিদ্র পরিবার বেশ কয়েকমাস ধরেই অসহায়তায় ভুগছিলেন, মাথা গোঁজার ঠাঁই টুকুও পর্যন্ত ছিলো না।

মলয় দে নদীয়া: সদ্যমাত্র সম্পন্ন হয়েছে ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার শুভক্ষণ! গৃহহীন এক দিদির এক ছোট্ট কন্যা সন্তান ও স্বামীর পরিবারকে আশ্রয় যোগালো নদীয়ার শান্তিপুরের এক সামাজিক সংস্থা। মানবিকতার সেরা নিদর্শন দেখা গেল আজ। উল্লেখ্য শান্তিপুর ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হরিপুর নতুন পালপাড়া এলাকার এক দরিদ্র পরিবার বেশ কয়েকমাস ধরেই অসহায়তায় ভুগছিলেন, মাথা গোঁজার ঠাঁই টুকুও পর্যন্ত ছিলো না।

খবর পায়, শান্তিপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পূর্ণিমা মিলনী সংঘ, এরপরে যোগাযোগ করে ওই দরিদ্র পরিবারের সাথে। সব কথা জানার পরেই পূর্ণিমা মিলনী সংঘের সদস্যদের প্রচেষ্টায় মঙ্গলবার হরিপুর অঞ্চলে ওই পরিবারের এক টুকরো জমিতে বাঁশ ও টিন দিয়ে নতুন ঘর তৈরি করে দেন সংগঠন পূর্ণিমা মিলনী সংঘ ।আজ তার শুভ উদ্বোধন হয়।

উপস্থিত ছিলেন, শান্তিপুর থানার প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাজা সরকার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, শান্তিপুরের বিভিন্ন সমাজসেবী সংগঠন এর সদস্যরা। নতুন গৃহে প্রবেশ করে ওই মহিলা জানান, এভাবে যদি শান্তিপুর পূর্ণিমা মিলনী সংঘের পক্ষ থেকে একটি মাথাগোঁজার ঘর না করে দিতো তাহলে হয়তো ছোট মেয়েকে নিয়ে রাস্তায় থাকতে হত। আমি সংগঠন পূর্ণিমা মিলনী সংঘকে এর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।

তবে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয় এই গৃহের নাম দেয়া হয়েছে ভালোবাসার আশ্রয়। পূর্ণ মিলনী সংঘের পক্ষ থেকে বিশ্বজিৎ রায় জানান ঘরের ব্যবস্থা আমরা করলেও সংগঠনের সদস্যরা বাদেও বেশ কিছু মানুষ তাদের সাধ্যমতো সংসারের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন আজ , তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এলাকার প্রধান শোভা সরকার জানান “সরকারি আবাসন প্রকল্পে তার নাম চূড়ান্ত তালিকায় লিপিবদ্ধ আছে, কিছুদিনের মধ্যেই সেটা তিনি ন্যায্য অধিকার পেয়ে যেতেন! তবুও মানবিক ভূমিকার জন্য সংস্থাকে ধন্যবাদ জানাই।

Related Articles