নিউজরাজনীতিরাজ্য

বাংলার মসনদে মমতা, লড়াকু সায়নীকে গুরু দায়িত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

বর্তমানে তিনি তৃণমূলের যুব সভানেত্রী (Youth President)। অভিনয় ছেড়ে এখন তিনি সম্পূর্ণরূপে রাজনীতিতেই মনোনিয়োগ করতে চান। এমনটাই পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন সৈনিক অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ (Sayan Ghosh)।

বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পক্ষ থেকে টিকিট পেয়ে আসানসোলের প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সায়নী, তবে শত চেষ্টার পরেও অবশেষে পরাজয় আসে ঝুলিতে। তবে ভোটে পরাজয় ঘটলেও সায়নীর রাজনীতির প্রতি একাগ্রতা এবং লড়াকু স্বভাব দেখে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের একাংশ চাইছিলেন সায়নীকে দলের হয়ে কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হোক। এরপরেই সায়নীকে যুব সভানেত্রীর পদের গুরু দায়িত্ব দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সায়নীর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bandopadhyay) জানিয়েছেন, প্রমোশন হতে চলেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Bandopadhyay) আর তার জায়গায় এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে সায়নীকে। তবে বড় পদের সাথে সাথে মুখ্যমন্ত্রী তাকে বিশ্বাস করে যে অনেক বড় দায়িত্বও দিয়েছেন তা সহজেই বুঝেছেন সায়নী। যুব সভানেত্রীর পদ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন, অনেক বড় দায়িত্ব। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে। সায়নীর নাম ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের যুব সমাজের দায়িত্ব তোমার হাতে দিলাম। এটা অনেক বড় এবং গতিশীল দায়িত্ব।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বাস অর্জন করে সায়নীও বেশ উচ্ছ্বসিত। তবে তার এখন মূল লক্ষ্য যে বিশ্বাস তৃণমূল সুপ্রিমো তাকে করেছেন তার যথাযথ মর্যাদা দেওয়া। আর সেই কারণে আপাতত অভিনয় (Acting) জগৎ থেকে পুরোপুরি সরে আসবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। সায়নীর বক্তব্য তাকে যেই দায়িত্ব বিশ্বাস করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়েছেন তা খুবই চ্যালেঞ্জিং। অনেক প্রত্যাশা করে তাকে এই পদ দেওয়া হয়েছে, তাই অর্ধেক সময় দিলে সাফল্য আসবে না। সায়নী স্পষ্ট বক্তব্য তিনি রাজনীতিকে নিজের একশো কুড়ি শতাংশ দেবেন। কাজেই খুব বেশি প্রয়োজন না পড়লে তিনি অভিনয় করবেন না। দুর্ধর্ষ কোন চিত্রনাট্য আসলে তবেই ভেবে দেখবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

2024 সালের লোকসভা নির্বাচন, এখন সেটাই পাখির চোখ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে। আর সেই নির্বাচনের জন্য সংগঠনগুলিকে শক্ত ভাবে তৈরি করতে হবে তা ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন অভিনেত্রী। সায়নীর বক্তব্য পথটা মসৃণ নয়। যুবদের চাহিদার কথা বলার জন্য এবং তাদের মনের কাছাকাছি পৌঁছানো মতন গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সিনিয়রদের অভিজ্ঞতা এবং যুব সমাজের আত্মশক্তিকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাব। 3 বছর সময় থাকলেও তা যথেষ্ট নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ্য সৈনিক হিসাবে লড়াই করব মোদি সরকারের সাথে।

Tags

Related Articles

Close