লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনার ধারা অব্যাহত। এবার চী" />লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনার ধারা অব্যাহত। এবার চী" />লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনার ধারা অব্যাহত। এবার চী" />লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনার ধারা অব্যাহত। এবার চীন নিজেদের এয়ারবেসে মোট ৩৬ টি বোমারু বিমান আনিয়েছে। আর এই বিমান দেখেই মনে হচ্ছে যে চীন বেশ বড়" />
×
Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.

ভয় পাচ্ছে চীন, রাফালের সঙ্গে টক্কর দিতে এয়ারবেসে আনল ৩৬ টি বোমারু বিমান

রাফালের ভারতে আসার আগে এই বোমারু বিমানের সংখ্যা ছিল ১২ টি, পরে সেটি বাড়িয়ে ৩৬ করা হয়েছে।

লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনার ধারা অব্যাহত। এবার চীন নিজেদের এয়ারবেসে মোট ৩৬ টি বোমারু বিমান আনিয়েছে। আর এই বিমান দেখেই মনে হচ্ছে যে চীন বেশ বড়সড় কিছু মতলব করছে। অথবা কোনো কিছুর আন্দাজ পেয়ে নিজেদের প্রস্তুতি জারি রাখছে লালফৌজ। চীনের হঠাৎ করে এই পদক্ষেপের কারণ হিসাবে মনে করা হচ্ছে রাফাল। কারণ ভারতের কাছে এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান আসার পরেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে চীন।

রাফালের ভারতে আসার আগে এই বোমারু বিমানের সংখ্যা ছিল ১২ টি, পরে সেটি বাড়িয়ে ৩৬ করা হয়েছে। আর এই বিমানগুলির মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার তৈরী বোমাবর্ষক বিমান জে-১১, ৬ টি জে-এইট ফাইটার জেট সহ অন্যান্য যুদ্ধবিমান হেলিকপ্টার। আর চীন এটাও জানে যে হোতান এয়ারবেস থেকে সব বিমান আপৎকালীন প্রয়োজনে উড়তে পারে না। আসলে লাদাখের প্রাকৃতিক অবস্থার কারণে চীন ঠিক সুবিধা করতে পারে না।

তাই এই এয়ারফোর্সকে কাজে লাগানোর জন্য কাশগার ও নাগরী কুংসা এয়ারবেসকে কাজে লাগাতে হবে। কিন্তু সমস্যা হল যে লাদাখ থেকে এগুলির দূরত্ব ৩৫০ ও ১৯০ কিলোমিটার। আর এই দুই এয়ারবেস থেকে ফাইটার প্লেন উড়লে ভারতীয় বিমান তা মোকাবিলা করতে পারবে। আর চীনের ফাইটার জিটগুলি ভারতের রাফালের মত ১১ থেকে ১২ ঘন্টা উড়তে পারে না। ফলে বেশ কিছু ক্ষেত্রেই সমস্যার মধ্যে রয়েছে চীন। আর রাফাল আসার পরেই চীনের এই সমস্যা আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।