চীন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধ ক্রমেই বাড়" />চীন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধ ক্রমেই বাড়" />চীন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধ ক্রমেই বাড়" />চীন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধ ক্রমেই বাড়ছে। আর এই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হল দক্ষিণ চীন সাগর। আমেরিকা যে কোনো প্রতিকূল অবস্থার মো" />
×

দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা তুঙ্গে, চীনকে শিক্ষা দিতে শক্তিশালী যুদ্ধবিমান মোতায়েন আমেরিকার

আমেরিকা যে কোনো প্রতিকূল অবস্থার মোকাবিলা করার জন্য তাঁর নৌঘাঁটি ডিয়াগো গার্সিয়াতে পারমাণবিক বোমা ফেলতে সক্ষম বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে।

চীন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধ ক্রমেই বাড়ছে। আর এই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হল দক্ষিণ চীন সাগর। আমেরিকা যে কোনো প্রতিকূল অবস্থার মোকাবিলা করার জন্য তাঁর নৌঘাঁটি ডিয়াগো গার্সিয়াতে পারমাণবিক বোমা ফেলতে সক্ষম বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে। এই নিয়ে দুই দেশের মধ্যে অবস্থার আরও অবনতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০১৬ সালের পর প্রথম এমন বোমারু বিমান পাঠিয়েছে আমেরিকা।

আমেরিকার ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড-এর তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনটি বি-২ স্পিরিট স্টিলথ বোম্বার বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। নৌঘাঁটিতে এই বিমানগুলির আসতে সময় লেগেছে প্রায় ২৯ ঘন্টা। উন্নত স্টিলথ প্রযুক্তি সম্পন্ন বি -২ বোমারু বিমানটি শত্রূবাহিনীর র‍্যাডারকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। তাইওয়ানে চিনের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপের জবাব দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে যে শুধু আমেরিকাই প্রস্তুতি নিচ্ছে এমনটি নয়, প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন ও। ১৬ অগস্ট চিনা পিএলএ এবং নৌবাহিনী তাইওয়ানের থেকে প্রায় ৩৪০ মাইল দূরে একটি দ্বীপপুঞ্জে লাইভ-ফায়ার ড্রিল শুরু করছে। চীনের এই প্রস্তুতির কারণ হল যে তাইওয়ান নিয়ন্ত্রিত তিনটি দ্বীপ দখল করতেই দক্ষিণ চিন সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যের অঞ্চলে চীন ক্রমাগত মহড়া চালাচ্ছে। যদিও মার্কিন মুলুক যেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে সেক্ষেত্রে চীনের পক্ষে টক্কর দেওয়া বেশ মুশকিল বলেই মনে করা হচ্ছে।