নিউজরাজ্য

লকডাউনের সুফল! রাজ্যে লাফিয়ে কমছে সংক্রমণের হার, আশার আলোয় বাংলা

করোনার গ্রাসে বেসামাল দেশ। দিকে দিকে মৃত্যু-মিছিল। ২০২০ পর ২০২১ এও সংক্রমনের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন রাজ্য আবারো লকডাউনের ওপরই নির্ভর করতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে। বিভিন্ন পরিসংখ্যানে বারবার উঠে এসেছে করোনা থেকে বাঁচতে একমাত্র অব্যর্থ ওষুধ হল লকডাউন, আর সেই পথেই এই মুহূর্তে হাঁটছে পশ্চিমবঙ্গ। নবান্ন তরফে গত ১৬ তারিখ থেকে রাজ্যে লকডাউনের ঘোষণা করেছে। লকডাউন শুরু হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই হাতেনাতে ফল পাওয়া গেলো।

গত চারদিন রাজ্যে করোনা সংক্রমনের রেশিও ৬.৩ শতাংশ কমেছে। এপ্রিলের শুরুতে রাজ্যে পজেটিভিটি রেশিও ছিল ৩–৪ এর মাঝে। পজিটিভিটি রেশিও বলতে বোঝায়, প্রতি ১০০ টি নমুনা পরীক্ষা করে যতগুলি পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায় তাকেই বলে টেস্ট পজিটিভিটি রেশিও। এই পজিটিভিটি রেশিও গত ২৬ এপ্রিল ছিল ৩২.৯ শতাংশ। এই হার কিছুদিনের মধ্যে ৩০ শতাংশের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে। গত ১৭ মে রাজ্যে টেস্ট পজিটিভিটি রেশিও ছিল ৩১.৮ শতাংশ। গত চার দিনে অনেকটাই কমে শুক্রবার ২১ মে তা এসে দাঁড়িয়েছে ২৫.৫ শতাংশে।

২০২০ তে টানা লকডাউন এর ফলে ধীরে ধীরে সংক্রমনের চেইন ভাঙতে সফল হয়ে ছিলাম আমরা, তবে মানুষের গাফিলতির কারণে আবারো করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এসে জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে, আর সেই কারণে আবারো লকডাউন এর পথে হাঁটতে শুরু করেছি আমরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে লকডাউন এর ফল ধীরে ধীরে মিলতে শুরু করেছে। যার প্রভাবে সংক্রমনের চেইন শিথিল হচ্ছে। একই সাথে অনেকটা কমেছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যাও। তবে রাজ্যে করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যায় তা ধরা পড়ছে না। ১৬ মে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই সংক্রমনের বৃদ্ধির সংখ্যায় অনেকখানি লাগাম লেগেছে। বিশেষজ্ঞদের অনুমান আর কিছুদিন এইভাবে লকডাউন চলতে থাকলে করোনাকে আবারো বাগে আনা যাবে।

Tags

Related Articles

Close