নিউজবিনোদন

সুশান্ত মামলায় ধরপাকড়! রিয়ার ভাইকে তুলে নিয়ে গেল NCB, জানা গেল আসল কারণ

পরোতে পরোতে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু কাণ্ডে। রহস্য ভেদে তদন্তে নেমে সুশান্ত মৃত্যুর সঙ্গে মাদক চক্রের হদিশ পেয়েছে তদন্তকারীরা। আর তাতে নাম জড়িয়েছে সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী সহ আরও অনেকের। এবার মাদক কারবারীদের যোগ খতিয়ে দেখতে রিয়া চক্রবর্তীর ভাই সৌভিক চক্রবর্তীকে তুলে নিয়ে গেল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসাররা।

সুশান্ত মৃত্যুর ঘটনায় ড্রাগ বা নিষিদ্ধ মাদক পাচার চক্রের গন্ধ পায় ইডি। ইতিমধ্যেই রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। আর এবার রিয়ার ভাই সৌভিক চক্রবর্তীকে নিজেদের সঙ্গে অফিসে তুলে নিয়ে গেলেন নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসাররা। সৌভিক চক্রবর্তীর সঙ্গে মাদক কারবারীদের যোগ খতিয়ে দেখতে মূলত তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। গ্রেফতারি নয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই সৌভিককে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, শুক্রবার সকালে সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর বাড়িতে হানা দেয় এনসিবি। হানা দিয়ে ল্যাপটপ, মোবাইল-সহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক গেজেট খতিয়ে দেখে তারা। শুধু এখানেই শেষ না অভিনেত্রীর একাধিক ইলেক্ট্রনিক গেজেট পরীক্ষার পর সেগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। জানিয়ে রাখি শুধু সৌভিক চক্রবর্তী না সৌভিকের আগে এদিন সকালে সুশান্ত সিং রাজপুতের হাউজ ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর।

১৯৯৫-এর ধারা নারকোটিক্স ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্টেন্স অ্যাক্ট- এ স্যামুয়েল মিরান্ডাকে আটক করা হয় বলে সূত্রের খবর। জানা যাচ্ছে, স্যামুয়েলের বাড়ি তল্লাশির পরই এনসিবির অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। উল্লেখ্য,এক হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই নিষিদ্ধ মাদক পাচার চক্রের হদিশ পায় ইডি। সেই সমস্ত চ্যাটে মারিজুয়ানা, এমডিএমএ, সিবিডি ওয়ালের মতো বিভিন্ন নিষিদ্ধ মাদকের নাম উল্লেখ ছিল। আর সেই চ্যাট গুলি বিনিময় হয়েছিল রিয়া চক্রবর্তী, সুশান্তের হাউজ ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডা, জয়া সাহা, ও গোয়ার হোটেল ব্যবসায়ী গৌরব আচার্যর মধ্যে। এক মেসেজে ,’ ডো

Tags

Related Articles

Close