লাইফস্টাইল

সহজেই দূর হবে অর্থনৈতিক সংকট, মানিব্যাগে রাখুন এই ৫টি জিনিস

মানুষের দৈনন্দিন জীবনে টাকার গুরুত্ব ঠিক কতখানি তা আমরা সকলেই জানি। প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকলে সমস্যায় পড়তে হয় সকলকেই। যার জীবনে টাকার পরিমাণ যত বেশি তার জীবন ততটাই সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যে পূর্ণ হয়। তাইতো টাকা উপার্জন করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন সকলে। তবে অনেক সময় এমনটা দেখা যায় পরিশ্রম করেও ঠিকঠাক ফল পান না তারা।

এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে রয়েছে বাস্তুদোষ। কারণ জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে বাস্তু ঠিক না থাকলে সে বাড়িতে অভাব অনটন লেগেই থাকে। তবে জ্যোতিষবিদদের মতে বেশ কয়েকটা পদ্ধতি অবলম্বন করে এই বাস্তুদোষ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আজ আমরা সেরকমই কয়েকটি পদ্ধতির কথা আলোচনা করবো। যার মাধ্যমে খুব সহজেই বাড়িতে সমৃদ্ধি আসবে।

গোমতী চক্র: গোমতী চক্রকে জীবনের সুখ ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে মনে করা হয়। সাধারণত লক্ষ্মীদেবীকে তুষ্ট করতে এটি ব্যবহৃত হয়। শাস্ত্র অনুযায়ী মা লক্ষ্মীর পায়ে গোমতী চক্র অর্পণ করে তা মানিব্যাগে রাখলে অর্থের অভাব দূর হয়।

ধান: হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী ধানের শীষ অত্যন্ত শুভ ও পবিত্র একটি জিনিস। ধানের শীষের সঠিক ব্যবহার আর্থিক সংকট দূর করে। মানিব্যাগে ধানের শীষ রাখলে অর্থ সঞ্চয়ের প্রবণতা বেড়ে যায়।

মা লক্ষ্মীর ছবি: ধনসম্পদের দেবী হিসেবে পূজিতা হন মা লক্ষ্মী। তাইতো মানুষের মধ্যে এই বিশ্বাস রয়েছে যার জীবনে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থাকবে তার জীবনে কখনোই অভাব অনটন আসবে না। তাই মানিব্যাগে মা লক্ষ্মীর ছবি রাখা অত্যন্ত শুভ।

লাল কাপড় বা কাগজ: হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী আর্থিক সংকট দূর করার আরো একটি উপায় হলো ব্যাগে লাল কাপড় বা কাগজের টুকরো রাখা। লাল রং যেহেতু দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক তাই এটি রাখা অনেক শুভ।

সোনা ও রুপোর মুদ্রা: সোনা ও রুপো সাধারণত সুখ-সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে মনে করা হয়। ঠাকুরের আসনে মা লক্ষ্মীর পায়ের কাছে বা ব্যবসার জায়গায় সোনা ও রুপোর মুদ্রা একসাথে থাকলে কখনো অর্থের অভাব হয় না। এছাড়া সেই মুদ্রাগুলি মা লক্ষ্মীর পায়ে ঠেকিয়ে মানিব্যাগে রাখলেও অর্থকষ্ট দূর হয়।