বিনোদন

আগামী বছরেই ছিল সব্যসাচী-ঐন্দ্রিলার বিয়ের পরিকল্পনা, নীরাবতা ভেঙে মুখ খুললেন প্রয়াত অভিনেত্রীর মা

দেখতে দেখতে কেটে গেল দশটা দিন। এখনো তার স্মৃতির সাগরে ভাসছেন সকলে। জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মার অকাল প্রয়াণের পর স্তব্ধ ছাড়া বাংলা। শোকের ছায়া এখনো ছেয়ে রয়েছে সারা বাংলাকে। মাঝেমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে আসছে তার কাজের নানা ভিডিও এবং তার নানা ছবি যেগুলি আরো একবার তার স্মৃতিচারণ করছে এবং মনে করিয়ে দিচ্ছেন তিনি সর্বদা বেঁচে থাকবেন তার কাজের মধ্যে দিয়ে সকলের মনে।

তবে তার প্রয়াণের পর সকলের মনে যাকে নিয়ে সব থেকে বেশি প্রশ্ন জাগছে তিনি হলেন তার প্রেমিক সব্যসাচী। ঐন্দ্রিলার মৃত্যুর পর নিজেকে লোক চক্ষুর আড়ালে বন্দী করে নিয়েছেন সব্যসাচী। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমস্ত অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করে নিরালায় ঐন্দ্রিলা স্মৃতিতে দিন কাটাচ্ছেন সব্যসাচী। তাদের প্রেম সকলের কাছে এক দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ। তবে তারা কি ভেবেছিলেন সাত পাকে বাঁধা পড়ার কথা! এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন ঐন্দ্রিলার মা শিখা শর্মা।

সারা বাংলা সাক্ষী থেকেছে কিভাবে প্রেমিক সব্যসাচী প্রেমিকা ঐন্দ্রিলার পাশে সর্বক্ষণ ছিলেন। তাদের প্রেমের সাক্ষী সকলে। তবে তাদের কি বিয়ের পরিকল্পনা ছিল! এমন প্রশ্ন করতেই উত্তর দিলেন ঐন্দ্রিলার মা। তিনি জানান, এই বিষয়ে সব্যসাচীর বাবার সঙ্গে তাদের ফোনে কথা হয়েছিল এবং আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে তাদের সকলের বাড়িতে আসার কথা ছিল। দুই পরিবারের মধ্যে পাকা কথা হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তিনি বলেন “পরিকল্পনা তো অনেক কিছুই ছিল কিন্তু….”। অভিনেত্রীর মায়ের গলায় এমন “কিন্তু” শব্দটি স্পষ্ট করে দিয়েছে তার সন্তান বিয়োগের যন্ত্রনা।

অন্যদিকে সব্যসাচীকে ঐন্দ্রিলার পরিবার ছেলে হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছেন সেকথাও স্পষ্ট হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কারণ অভিনেত্রী চলে যাওয়ার পর অভিনেত্রীর মা তার সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে অভিনেত্রীর সঙ্গে সব্যসাচীর একটি ছবি শেয়ার করে তার ক্যাপশনে লিখেছিলেন “আমার সব্যর ঐন্দ্রিলা”। অভিনেত্রীর মায়ের এমন পোস্ট দেখে সকলেই অবগত হয়েছিলেন তাদের পরিবারে সব্যসাচীর অবস্থান সম্বন্ধে। তবে আগামী বছর তারা সাত পাকে বাঁধা পড়ার স্বপ্ন দেখলেও ভাগ্যের পরিহাসে সেই স্বপ্ন রয়ে গেল অধরা।