বিনোদন

এ যেন সাক্ষাৎ জীবন্ত ‘মা ভবতারিণী’, মেকআপ শিল্পীর হাতের জাদুতে দক্ষিণেশ্বরের মায়ের রূপে ধরা দিলেন অভিনেত্রী শ্রুতি

সব মিলিয়ে এদিন হাড়ভাঙা পরিশ্রমের ফলশ্রুতি মিলেছে বলে অত্যন্ত খুশী অভিনেত্রী নোয়া ওরফে শ্রুতি দাস এবং মেকআপ আর্টিস্ট মুক্তি রায় উভয়ই

সামনেই কালীপুজো! হঠাৎ একদিন অলস দুপুরে মোবাইল নিয়ে স্ক্রল করতে করতে সামনে এলো মা ভবতারিণীর ছবি আর আপনিও কালিমাকে প্রণাম ঠুকলেন। তবে যদি বলি তার মোটেই মা কালী নন বরং রক্তমাংসের মানুষ তাহলে বিশ্বাস হবে? সম্প্রতি এমনই অসাধ্যসাধন করে দেখিয়েছেন মেকআপ আর্টিস্ট মুক্তি। সকলের প্রিয় অভিনেত্রী শ্রুতি দাসকে মা ভবতারিণীর বেশ দিয়ে রীতিমত সোশ্যাল মিডিয়ায় হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী শ্রুতি দাস একটি ছবি শেয়ার করেছেন। এই ফটোশুটের ছবিতে দক্ষিণেশ্বরের মা ভবতারিণীর বেশে তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। আর শিব বেশে যার বুকে পা দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি,তিনি আর কেউ নন সুপ্রিয়। অথচ দুজনকে দেখে বোঝার উপায় নেই দুজনেই জলজ্যান্ত মানুষ। মোট 11 ঘণ্টার হাড়ভাঙ্গা খাটুনি ও এক ঘন্টার ফটোশুটের পর এমন ফলাফল এসেছে।

“মা ভবতারিণী বিশ্বজননী অনন্ত রুপিনি সৃষ্টিস্থিতি প্রলয়কারিণী” ক্যাপশনে শেয়ার করা হয়েছিল এদিনের ফটোশুট। তবে তারপরেই হোঁচট খেয়ে যায় সাইবারবাসীরা। পরবর্তীতে লেখা,”বিশেষ দ্রষ্টব্য এটি কোন মাটির মূর্তি নয় মানুষের শরীরে মায়ের রূপদান। রূপসজ্জা করেছেন মুক্তি রায়। বন্ধনেত্রের ওপর চক্ষুদান করা হয়েছে। ভুল ত্রুটি মার্জনা করবেন। আপনাদের ভালোবাসা একান্ত কাম্য জয় মা ভবতারিণী।”

স্বাভাবিকভাবে হতভম্ব নাগরিকরা মন্তব্যবক্সে বিস্ময়কর মন্তব্য রেখে গিয়েছেন। কেউ লিখেছেন,” অবিশ্বাস্য মাটিরমূর্তি মনে করেছিলাম পরে ক্যাপশনটা দেখেও বিশ্বাস হচ্ছে না।” তো অন্য একজন নাগরিক মন্তব্য করেছেন,”সত্যি বলার ভাষা নেই প্রথমে বুঝতেই পারিনি স্ক্রল করে দিলাম দ্বিতীয়বার আসতেই ক্যাপশন পড়লাম অসাধারণ।” সব মিলিয়ে এদিন হাড়ভাঙা পরিশ্রমের ফলশ্রুতি মিলেছে বলে অত্যন্ত খুশী অভিনেত্রী নোয়া ওরফে শ্রুতি দাস এবং মেকআপ আর্টিস্ট মুক্তি রায় উভয়ই!

Related Articles