×

সহবাসের পরও চলত বেধারক মারধর! তাও কেন সালমান খানকে হাতের মুঠোয় রাখতে চেয়েছিলেন ঐশ্বর্য?

বলিউড অভিনেতা সালমান খান যে প্রচন্ড রাগী ও মেজাজি একথা সর্বজনবিদিত। বলিউডের সকলেই জানেন চট করে রেগে যান সালমান। আরে এই রাগের কারণে তার সম্পর্কের উপরেও পড়েছে প্রভাব। শোনা যায় বলিউডের রাই সুন্দরীর সাথে তার বিচ্ছেদের মূল কারণ তার রাগ। কিন্তু কি এর সত‍্য?

যদিও সম্প্রতি একটি পুরনো সাক্ষাৎকার মারাত্মকভাবে ভাইরাল হয়েছে যেখানে বিচ্ছেদের কারণ হিসাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ঐশ্বর্যকে। সালমান খান ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের মধ্যে থাকা সম্পর্কের সমীকরণ সকলের চোখে এসেছিল “হাম দিল দে চুকে সানাম” ছবির মধ্যে। শুরু হয়েছিল তাদের মধ্যে রিয়েল প্রেমের পর্বও। কিন্তু পরবর্তীতে তার ছন্দপতন ঘটে। যে প্রেম পর্যায় সকলের নজর কেড়েছিল সেই জুটি ব্রেকআপের পর নানান অভিযোগ আনেন দর্শকদের সামনে।

বর্তমানে তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে ব্যস্ত হলেও আজও পেজ থ্রি পাতা সরগরম হয়ে ওঠে ঐশ্বর্য বচ্চন ও সালমানের ব্রেকআপ কাহিনীতে। একবার নয় একাধিকবার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ঐশ্বর্য, সলমনের বিরুদ্ধে এমনটাই অভিযোগ এনেছিলেন রাই সুন্দরী। যদিও সালমান একথা আজও স্বীকার করেননি।

সম্প্রতি একটি পুরনো সাক্ষাৎকার মারাত্মকভাবে ভাইরাল হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে সালমানকে নাকি খান পরিবার থেকে আলাদা করতে চেয়েছিলেন ঐশ্বর্য। শোনা যায় কোনদিনই সালমানের পরিবারকে পছন্দ ছিল না রাই সুন্দরীর। সালমানকে নিজের পরিবার ছেড়ে আসতে বলেছিলেন ঐশ্বর্য রায়, সুন্দরীর একথা মেনে এ কাজ করতে রাজি হননি ভাইজান। এমনকি ভাইদের অর্থ সাহায্য করাও নাকি পছন্দ ছিল না ঐশ্বর্যের।

সোহেলের বক্তব্য অনুযায়ী কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছেন ঐশ্বর্য রাই। তার মতে ঐশ্বর্য সকলের সামনে কাঁদছেন এবং হাজারো অভিযোগ আনছেন কিন্তু যখন তাদের বাড়িতে আসতেন তখন তাকে পরিবারের একজন হিসেবেই মনে করা হতো। কিন্তু যা ঐশ্বর্য কখনোই মনে করেনি। সোহেল সর্বদাই জানতে চাইতেন সে তার দাদাকে কতটা ভালোবাসেন। ঐশ্বর্যের দিকে আঙুল তুলে সোহেল জানান ঐশ্বর্যের ভুয়া তকমাতেই নাকি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সালমানের জীবন।

তবে এই ঠিক “কুছ না কাহো” ছবি সেটে গিয়ে ঐশ্বর্যের সাথে অসভ্য আচরণ করতে দেখা গিয়েছিল সালমান খানকে। সকলের সামনেই গায়ে হাত উঠাতেও দেখা গিয়েছে তাকে। দিন দিন সালমান খান হয়ে উঠছিলেন পজেসিভ, বিশ্বাস হারিয়েছিলেন ঐশ্বর্যের উপর থেকে। আর এটাও যে সম্পর্ক অবনতি ঘটার অন‍্যতম কারণ তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। আর তারপরেই তাদের বিচ্ছেদের খবরে উত্তাল হয় সোশ্যাল মিডিয়া। এক দশক পেরিয়ে গিয়েও তাদের সেই প্রেম বিচ্ছেদ এখনো চর্চায়।