বিনোদন

Saif Kareena: তৈমুরকে বিক্রি করতে চায় সইফ আলি খান! রাগে ফেটে পড়লেন বেগমজান করিনা

জন্ম ক্ষণ থেকেই তার জনপ্রিয়তা চূড়ান্ত পর্যায়। পাপারাৎজিদের ক্যামেরা যেন তাকেই খোঁজে। ছোট্ট তৈমুর জন্মের পর থেকেই জনপ্রিয়তার শিখরে। তৈমুরকে ঘিরে পাপারাৎজিদের উন্মাদনা যেকোনো বড় সেলিব্রিটিকে ফেলে দিতে পারে কমপ্লেক্সে। এমনকি তৈমুরের জনপ্রিয়তা তার বাবার সইফ এবং মা কারিনার থেকে অনেক খানি বেশি।

তৈমুরের জনপ্রিয়তা এতটাই অধিক যে তার মা করিনা এবং বাবা সইফ তাতে রীতিমতন অতিষ্ঠ হয়ে যান। রাস্তায় বেরোলেই তাকে ঘিরে ধরে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্যামেরা। আর তাই এইসব অতিষ্ট হয়েছেলে তৈমুরকে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৈমুরের বাবা সইফ আলি খান। আর একথা জানা মাত্রই করিনা রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে ছিলেন স্বামী সইফের উপর। সেই ঘটনা নিজের মুখেই জানিয়েছিলেন সইফ।

একবার এক সাক্ষাৎকারে সইফ জানিয়েছিলেন, তাঁর পরিচিত এক প্রযোজক একবার তাঁকে প্রস্তাব দিয়েছিল সইফ নিজের অভিনীত ছবির প্রচারে যেন তৈমুরকে ব্যবহার করেন। এর জন্য সইফকে মোটা টাকাও দিতে রাজি ছিলেন তাঁরা। যা শুনে বেজায় খুশি হন সইফ। তবে সইফের কাছে থেকে এই প্রস্তাব শুনে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন করিনা। প্রস্তাব খারিজ করে, করিনা সইফের উদ্দেশ্যে চীৎকার করে বলে উঠেছিলেন তুমি তোমার ছেলেকে ‘বিক্রি’ করতে পারো না! তারপর সইফকে সরাসরি বলেছিলেন ছ্যাঁচড়াপানাটা একটু কম করো।

তবে সইফ করিনার কথায় না দমে পাল্টা যুক্তি দিয়েছিলেন, কিসের ছ্যাঁচড়াপানা? সবাই যখন চাইছে বিক্রি করা যেতেই পারে তৈমুরকে!’ ‘ইন্টারনেটে ওকে তো লোকজন প্রায় সবসময়ই দেখছে। তাই যদি কোনও নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে তৈমুরকে পেশ করা হয় এবং তার জন্য মোটা টাকা আসে তবে ক্ষতি কথায়! যেমন, বাচ্চাদের কোনও নামি ডাইপার জাতীয় কোনও ব্র্যান্ডের মুখ হিসেবে তৈমুরকে ব্যবহার করাই যায়। সেই মোটা টাকার পারিশ্রমিকের কিছুটা অংশ যেমন তৈমুরের পড়াশোনার কাজে লাগবে বাকি থাকা অর্থ দিয়ে একটু সুইৎজারল্যান্ডে ছুটি কাটিয়ে আসা যাবে!’

Tags

Related Articles

Close