×

কোটি কোটি টাকার অগাধ সম্পত্তি! অমৃতা নাকি করিনা কোন স্ত্রীর সন্তানদের দেবেন সইফ?

বলিউডে বংশানুক্রমের শেষ না থাকলেও নবাব পরিবার কিন্তু একজনেরই। পতৌদির নবাব মনসুর আলী খানের পুত্র হিসেবে দশম নবাব হলেন সাইফ আলি খান। 2011সালে মনসুর আলী খান প্রয়াত হওয়ার পর স্থানীয় মানুষদের মন রাখতে “পাগড়ি” অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দশম নবাব হিসেবে অভিষিক্ত হন সাইফ। তবে মাঝে মাঝে প্রশ্ন ওঠে সাইফ আলী খানের এই বিপুল পরিমান সম্পত্তির পরবর্তী মালিকানা তার প্রথম স্ত্রী অমৃতা সিংয়ের ছেলে মেয়ে নাকি থিওরি কারিনা কাপুরের ছেলে মেয়েদের হবে?

মাঝেমধ্যেই দুই পক্ষের ছেলেমেয়েদের একত্রিত করে সাইফ আলি খান পতৌদির বাড়িতে গিয়ে সময় কাটিয়ে আসেন। তবে আপনি কি জানেন? সেই সইফের এই 5000 কোটি টাকার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিকানা ভারতে নেই। রয়েছে পাকিস্থানে! তাই সইফ এর পরবর্তী প্রজন্মের কেউ এই মালিকানার সত্ত্ব দাবী করতে গেলে তাকে প্রথমে যেতে হবে হাইকোর্ট,তারপর সুপ্রিম কোর্ট এমনকি রাষ্ট্রপতির কাছেও যেতে হতে পারে।

জানা যায়,ঐতিহাসিকভাবে ঠাকুরদা হামিদুল্লাহ খান পতৌদি প্যালেসের কোন উইল করে যাননি। কেননা সেই সময় ব্রিটিশ সরকারের অধীনে ছিল এই সম্পত্তির যার ফলে পাকিস্থানে থাকা সইফের এক ঠাকুমার সাথে পরিবারের মনোমালিন্য হয়। শরিকি বিবাদ অনুযায়ী হামিদুল্লাহ তার বড় মেয়ে আবিদার নামে সমস্ত সম্পত্তির মালিকানা করে গিয়েছিলেন এবং আবিদা বিবাহের পর পাক মুলুকে চলে যায়। ফলতঃ মেজো মেয়ে সাজিদা সম্পত্তির অধিকার পেলে তার তিন সন্তান মন্সুর আলি খান,সালেহা সুলতানা এবং সাবিহা সুলতান সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন।

তবে 2015 সালে নবাব হামিদুল্লাহর মেজো মেয়ে সাজিদা নয় বরং বড় মেয়ে আবিদাকে কেন্দ্র সরকার সম্পত্তির মালিকানার উত্তরাধিকারী হিসেবে ঠাহর করে। ফলতঃ আইন অনুযায়ী দেখা যায় যে পতৌদি পরিবারের সম্পত্তির মালিকানা বর্তমানের ভারতে নেই। ফলতঃ সইফ এবং তার সন্তানেরা আইনি ঝামেলা ছাড়া এই সম্পত্তির মালিকানা গ্রহণ করতে পারবেন না!