×

‘স্বামীর কথা শুনলে হয়তো ভালো বউ হতে পারতাম!’ আক্ষেপ রচনা ব্যানার্জীর

কত নম্বর পেলেন ঘরনী রচনা ১০ নাকি ০? চলুন জেনে নেওয়া যাক টলিউডের প্রথম সারির নায়িকা হিসেবে যার নাম স্বীকার করতেই হয়, তিনি হলেন রচনা ব্যানার্জী। সিনেমার জগৎ থেকে তিনি এখন বেশী জনপ্রিয় ‘জি বাংলা’-র পর্দায়। প্রতিদিন ৫.৩০ টায় তাকে দেখার জন্য অগণিত দর্শক অপেক্ষায় থেকে টেলিভিশনের সামনে।

রচনা ব্যানার্জী ছাড়া ফিকে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ এর মঞ্চ। প্রতিনিয়তই নতুন নতুন দিদিদের সাথে সুখ-দুঃখের কথা ভাগ করে নেন তিনি। সমস্ত দিদিদের ব্যক্তিগত জীবনের সমাধান সূত্র হলো তার এই ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ এর মঞ্চ। কিন্তু বাস্তব জীবনে রচনা ব্যানার্জী কেমন? তিনি কি সত্যিই ‘দিদি নম্বর ওয়ান’?

বাস্তবে রচনা ব্যানার্জী একা হাতেই সামলাচ্ছে তার সংসার তথা একমাত্র পুত্র প্রনীলকে। রচনা ব্যানার্জীর  প্রথমে যার সাথে বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন, তার সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটায় বিবাহ বিচ্ছেদে, পথ বেছে নেন তিনি।  দ্বিতীয় বিবাহতেও অখুশি তিনি। কিন্তু এবার আর বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হাটতে নারাজ তিনি। কারণ একটাই যে তার ছেলের জীবনে যাতে কোনো রকম আঁচ না আসে। তার ছেলেকে যাতে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের কালো ছায়া সমাজের চোখে কটাক্ষের শিকার না করতে পারে, সেইজন্যই স্বামী স্ত্রী আলাদা থাকেন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে।

টি.ভি.-র পর্দার অনুষ্ঠিত একটি শো-তে অভিনেতা শাশ্বত রচনা ব্যানার্জী-কে প্রশ্ন করেন যে স্ত্রী হিসেবে নিজেকে তিনি নিজেকে কত নম্বর দিতে চান। উত্তরে রচনা ব্যানার্জী বলেন – শূন্য। কারণ প্রকৃত ঘরনী হতঃ পারলে হয়তো তিনি গুছিয়ে সংসার করতে পারতেন। কিন্তু সংসার জীবনে ব্যর্থ তিনি। তাই নিজেকে শূন্য ছাড়া আর কিছুই দিতে পারলেন না  রচনা ব্যানার্জী।