×
Jannah Theme License is not validated, Go to the theme options page to validate the license, You need a single license for each domain name.

Mithai: জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিঠাই’ বয়কটের ডাকে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া!

মাসের পর মাস ধরে ধারাবাহিকদের টিআরপির রেটিং লিস্টে পয়লা নম্বর স্থান দখল করে রেখেছে “মিঠাই”! তাই এই মুহূর্তে মিঠাই রানির জনপ্রিয়তা নিয়ে কোনো প্রশ্নের সন্দিহান নেই। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বাংলাদেশেও রয়েছে মিঠাইয়ের অসংখ্য ফ্যান!

প্রতিদিন বাংলাদেশি সময় রাত সাড়ে আটটায় সম্প্রচারিত হয় মিঠাই ধারাবাহিক আর উচ্ছেবাবু এবং তার মিঠাই রানীর রসায়ন দেখতে বসে পড়েন তার বাংলাদেশি দর্শকেরাম তবে তাল কাটল রবিবার দিন এপিসোডে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত অবমাননার অভিযোগ উঠল মিঠাই এর বিরুদ্ধে!

সম্প্রতি সম্প্রচারিত এপিসোডে সিদ্ধার্থ মোদকের সম্বর্ধনা নিয়ে জখন টানটান উত্তেজনা মূলক পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে পর্দায়, ঠিক সেইসময় মোদক পরিবারের খুশিতে জল ঢালতে হাজির আগারওয়াল পরিবারের ছোট ছেলে ওমি! দর্শকেরা যখন ভাবতে বসেছেন তবে কি এইবার সিদ্ধার্থ এবং ওমির মধ্যে ঝামেলা শুরু হবে? ঠিক সেইসময়ই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সংগীত হিসাবে গাওয়া “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি” রবীন্দ্র সংগীতের দিকে নজর পড়ে সকলের!

রবীন্দ্র সংগীতটি উপস্থাপনাকালীন সময়ে দর্শক আসনে বসে থাকতে দেখা যায় মোদক পরিবারের সদস্যদের আর তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মিঠাই এর বাংলাদেশি অনুরাগীরা। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত গাইবার সময় পায়ে পা তুলে বসে থেকে রাষ্ট্রকে অসম্মান জানানোর অভিযোগ আনা হয় মিঠাই ধারাবাহিকের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, একত্রিতভাবে বাংলাদেশে মিঠাই ধারাবাহিক বয়কটের ডাক দেওয়া হয়।

“বাংলাদেশকে অপমান করেছে মিঠাই”এমন যুক্তি এনে এক বাংলাদেশী নাগরিক ক্ষুব্ধ হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, “ওটা রবীন্দ্রনাথের গান। তাই উদ্বোধনী সংগীত হিসেবে গাওয়া যেতেই পারে। সেই বিষয়ে আমাদের সমস্যা নেই। কিন্তু নাটকের ডাইরেক্টর কিংবা অন্য কারোর কি মাথায় আসেনি এটা অন্য একটি দেশের জাতীয় সংগীত? দেশকে সম্মান না দিন, অন্তত জাতীয় সংগীত চলাকালীন সময় উঠে দাঁড়িয়ে সম্মানটুকু দেখানো যেত। আমি ছোট মানুষ, স্বল্পজ্ঞানী এটুকুই বুঝি এই সম্মানটুকু আমাদের প্রাপ্য।”

তবে বিপক্ষ যুক্তির পাশাপাশি বহু বাংলাদেশি ভক্তগণ পাশে এসে দাঁড়িয়েছে মিঠাই-সিদ্ধার্থের! তাদের মতে বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই অনবদ্য সৃষ্টিটি ধারাবাহিকে কেবলমাত্র একটি নিছকই রবীন্দ্রসঙ্গীতের আওতায় গাওয়া হয়েছে।

দর্শকদের মধ্যে কেউ বাংলাদেশি নাগরিক না হওয়ার কারণে এই বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ির কোনো কারণ দেখা যাচ্ছেনা এমনটাই দাবি বাংলাদেশি ভক্তদের। তবে আপনাদের কি মত? সত্যিই কি বাংলাদেশী জাতীয় সংগীত নিয়ে আরেকটু বেশি সচেতন হওয়া উচিত ছিল চ্যানেল কর্তৃপক্ষের? জানান কমেন্ট সেকশনে!