×

এভাবেও ফিরে আসা যায়! মরেও মরল না গুনগুন, নতুন চমক নিয়ে ফিরে এলো ‘খড়কুটো’ পরিবারে

শুরুটা হয়েছিল 17ই আগস্ট 2020! স্টার জলসার হাত ধরে যায় জ্যাঠাই,চিনি,পটকা এবং গুনগুনের অভিনয়ে মাতোয়ারা হয়েছিল সারাবাংলা। এককথায় “খড়কুটো’ ধারাবাহিক বিগত দুই বছর ধরে বাঙালি হাউসহোল্ড নেমে পরিণত হয়েছিল। তবে অবশেষে বাতাসে বেজে উঠেছে বিষাদের বাঁশি! অবশেষে সব জল্পনাকে সত্যি করে শেষ হয়ে যাচ্ছে “খড়কুটো”। তবে শেষের প্লট দিয়ে গেল একটাই আভাস “শেষ হয়েও হইল না শেষ”!

ধারাবাহিকে অভিনেত্রী তৃণা সাহা তার ননদ সাজির বিয়েতে জমিয়ে আনন্দ করতে থাকলেও শরীর সাথ দিচ্ছিল না তার। অবশেষে ব্রেন টিউমার ধরা পড়ায় সাজির বিয়ের দিনই হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে হয় গুনগুনকে। এককথায় দর্শকেরা ভেবেই নিয়েছিলেন রোহিত সেনের মৃত্যুতে শ্রীময়ী ধারাবাহিকের অবশেষের মতই ভবিতব্য হতে চলেছে খড়কুটোর। ফলতঃ গুনগুনের মৃত্যুতে ধারাবাহিক শেষ না করার আর্জি জানিয়ে লেখিকার শরণাপন্ন হন অনুরাগীরা।

তবে অবশেষে সবারই আশঙ্কা সত্যি করে গুনগুনের মৃত্যুতেই শেষ হল ধারাবাহিক কিন্তু শেষের ক্ষণেও প্লট টুইস্ট নিয়ে এলেন লেখিকা। অন্তিম পর্বে 25 বছরের লিপ নিয়েছে ধারাবাহিক। সৌজন্যে গুনগুনের ছেলে ঈশান অবিকল বাবার মতই দেখতে হয়েছে। বড় হয়ে সে হয়ে উঠেছে অঙ্কলজিস্ট। অন্যদিকে ডক্টর মজুমদারের মেয়ে স্রোতস্বিনী অবিকল গুনগুনেরই জাতিস্মর। হাসপাতালে যোগ দিয়েছে সে।

আর 25 বছর পরে ফের গুনগুনকে স্রোতস্বিনীর মাধ্যমে পেয়ে আবেগে ভাসছে মুখার্জি পরিবার। আবেগাপ্লুত পটকার বয়ানে,”তুমি আমাদের খড়কুটো। আমরা একটা খড়কুটোকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চেয়েছিলাম আর সে খড়কুটোটা আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গিয়েছিল। অতঃপর আমরা এত বছর ধরে অকূল সমুদ্রে সাঁতার কেটে চলেছি একটা খরকুটোর আশায় আর তুমিই হলে সেই খরকুটো।” স্বাভাবিকভাবেই অন্তিম পর্বর হ্যাপি এন্ডিং এ ধারাবাহিকের অনুরাগীরা অনেকেই মনে করছেন ঈশান-স্রোতস্বিনীর প্রেমকাহিনী নিয়ে ফের ছোটপর্দায় কামব্যাক করবে “খড়কুটো 2”!