Advertisements

খান পরিবারে সম্পর্কে চিড়? শাশুড়ির থেকে নিজের দ্বিতীয় পুত্রকে দূরে রাখছেন বেগম করিনা

Advertisements

গত ২১ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন বলিউডের ডিভা বেবো, তবে জনসমক্ষে এখনো পর্যন্ত নিজের দ্বিতীয় সন্তানকে নিয়ে আসেন নি সইফ-কারিনা।

প্রথম সন্তান তৈমুর জন্মের পর থেকে একপ্রকার তার স্টারডামে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন পরিবারের লোকজন। জন্ম লগ্ন থেকেই প্যাপারাতজিদের ক্যামেরা এক মুহূর্তের জন্য অবসর দেয়নি ছোট্ট তৈমুরকে, বলিউডের তাবড় তাবড় অভিনেতাদের থেকেও জনপ্রিয়তার শীর্ষে সাইফিনার জ্যেষ্ঠ পুত্র। তবে একজন শিশুর চারপাশে প্রতি সময় ক্যামেরা লেগে থাকলে সুস্থ জীবন যাপনে বড় সমস্যা দেখা দেয়, আর ঠিক সেই কারণেই দ্বিতীয় ছেলের জন্মের পর আগের বারের মতো ভুল করতে চাননি সাইফিনা। তাই দ্বিতীয় সন্তান কে এখনো জনসমক্ষে আনেননি তারা, এমনকি তার নাম পর্যন্ত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তবে এবার জানা গেলো আরো এক গোপন তথ্য। শুধুমাত্র মিডিয়া থেকেই নয় বরং করিনা নিজের ছেলেকে দূরে রেখেছেন শাশুড়ি শর্মিলা ঠাকুরের থেকেও। খবর অনুযায়ী ছোট নাতির মুখ এখনো পর্যন্ত দেখেননি শর্মিলা। তাহলে কি পুত্রবধূ করিনা সাথে সম্পর্ক ভালো নয় শাশুড়ি শর্মিলার? তবে কারিনা ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সাক্ষাৎকারে শাশুড়ি শর্মিলা সম্বন্ধে বলতে গিয়ে জানিয়েছেন নিজের মায়ের থেকেও বেশি শর্মিলা তার কাছে। অন্যদিকে করিনাকেও বেশ স্নেহ করেন শর্মিলা। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?

আসলে মূল সমস্যাটা হলো করোনার বাড়বাড়ন্ত। এই মুহূর্তে সইফ এবং করিনা দুই সন্তানকে নিয়ে রয়েছেন মুম্বাইয়ের বাড়িতে, অন্যদিকে শর্মিলা রয়েছেন দিল্লির বাড়িতে। নাতিকে দেখতে গেলে মুম্বাইয়ে আসতে হবে শর্মিলা কে, আর প্রতিদিন করোনা পরিস্থিতি যেই পর্যায়ে পৌঁছেছে তাতে শর্মিলাকে জার্নি করতে দিতে একেবারে রাজি নন পুত্র সইফ এবং পুত্রবধূ করিনা। শর্মিলার বয়সের কথা মাথায় রেখেই তাকে নিয়ে কোনো রকমের রিক্স নিতে রাজি নয় তারা। আর সেই কারণেই এখনো পর্যন্ত ছোট নাতিকে দেখে ওঠা হয়নি শর্মিলার।

করিনা এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আক্ষেপও করেছেন। তবে ভিডিও কলের মাধ্যমে নাতির সাথে সময় কাটিয়েছেন ঠাকুরমা। খুব শিগগিরই পরিস্থিতি ঠিক হলে ছেলেকে কোলে নিয়ে শাশুড়ি আদর করবেন বলে জানিয়েছেন করিনা। সন্তান জন্মের আগে বেশ কিছুদিন স্বামীকে নিয়ে দিল্লির বাড়িতে শাশুড়ির সাথে সময় কাটিয়ে এসেছে করিনা। আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারো একসাথে হবে পতৌদি পরিবার।

Related Articles