বিনোদন

৪৫ বছর বয়সেও যৌবন চুইয়ে পড়ছে, সুস্মিতার রূপের ঝলকে কুপোকাত নেট দুনিয়া

স্মার্ট সঙ্গে সুন্দরী একই সঙ্গে বিনয়ী, নম্র, ভদ্র এবং বুদ্ধিমতী। আর এই গুণ গুলোর জন্যই হয়তো ১৯৯৪-এ বিশ্বসুন্দরীর মুকুট উঠেছিল তাঁর মাথায়। এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরে গেছেন এখানে কার কথা বলা হচ্ছে। বিশ্বসুন্দরী আর কেইবা হতে পারে সুস্মিতা সেন ছাড়া। দেখতে দেখতে ৪৫ এ পা দিলেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী। এজ জাস্ট এ নাম্বার এটার হয়তো অন্যতম উদাহরণ সুস্মিতা সেনই।

১৯৯৪ সালে মিস ইউনিভার্স সুস্মিতা সেন তার দু’বছর বাদে দস্তক ছবি দিয়ে বলিউডে পা রাখেন তিনি। এরপর ম্যায় হু না, বাস্তুশাস্ত্র, তুমকো নি ভুল পায়েঙের মতো ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। ২০১৫ সালে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত নির্বাক ছবিতে শেষবার অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে সুশকে। বর্তমানে লাইট ক্যামেরা একশন থেকে একটু দূরে থাকলেও নিজের ফিটনেস নিয়ে যথেষ্ট সচেতন অভিনেত্রী। তবে, সম্প্রতি সুস্মিতা সেন একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন যা দেখে মানুষ সুস্মিতাকে নতুন করে পছন্দ করতে শুরু করেছেন৷ পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও যথেষ্ট একটিভ সুস্মিতা সেন।

আর আজ ১৯ নভেম্বর প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেনের জন্মদিন। আজকের দিনেই ১৯৭৫ সালে হায়দরাবাদে জন্মেছিলেন তিনি। ৪৫ বছরে পা দিয়েও বলে বলে অষ্টাদশীদের গোল দিতে পারেন অভিনেত্রী। এখনও অভিনেত্রীর কোনও ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হলেই সুস্মিতা সেনের উষ্ণতায় কুপোকাত হয় অনুরাগীরা। ৪৫ বছর বয়সেও অভিনেত্রীর যৌবন যেন উপচে পড়ছে।

মাত্র ২৪ বছরেই বিয়ে না করে মা হন সুস্মিতা। সুস্মিতা সেনের একমাত্র গর্ব তিনি সিঙ্গেল মাদার। বিয়ে না করে সন্তান দত্তক নিয়েছেন। ২০০০ সালে রেনে নামের একটি মেয়েকে দত্তক নিয়ে ইতিহাস তৈরি করেন। এরপর ২০১০ সালে ৩ মাস বয়সী আলিশাকে দত্তক নেন। তারপর থেকেই সুস্মিতা সেনের সিঙ্গেল মাদারের জার্নি শুরু। সেই সব কিছুর মাঝেই অভিনেত্রীর গ্ল্যামারের ছটায় চারদিক অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু অভিনেত্রীর ছবি পোস্ট হতে দেরী মুহূর্তে ভাইরাল। হবে নাই বা কেন ইনস্টাগ্রামে সুস্মিতা সেনের ৫৬ লক্ষেরও বেশি ফলোয়ারের সংখ্যা।

Tags

Related Articles

Close