দেশনিউজ

করোনা প্রতিরোধে বিশ্বের বড় ভরসা ভারত! আশার আলো দেখছে বিজ্ঞানমহল

Advertisement
Advertisement

বর্তমান সময়ে মানুষের মনে সবচেয়ে বড় ত্রাস চীনা ভাইরাস নোভেল করোনা। এই মারণ ভাইরাসের প্রকোপে কার্যত থমকে গিয়েছে গোটা পৃথিবী। ইতিমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ২ লক্ষেরও বেশি মানুষ। আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে ঝড়ের গতিতে। এই মারণ ভাইরাসের টিকা বা প্রতিষেধক তৈরি করতে দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছে বিশ্বের বিভিন্ন বড়বড় দেশের নামি বিজ্ঞানীরা। তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে ভারত।

করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার করার জন্য বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করছে ভারতের ৬টি বড় সংস্থা। তাদের মধ্যে অন্যতম পুণের সিরাম ইনস্টিউট। বর্তমানে ভারতীয় এই সংস্থাটি একটি মার্কিন সংস্থা কোডাজেনিক্সের সঙ্গে মিলে এমন প্রতিষেধক তৈরির চেষ্টা করছেন, যা এই ভাইরাসের ক্ষতি করার ক্ষমতা অনেকটা নষ্ট করে দেবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির সিইও এ পুণাওয়ালা। তিনি আরো বলেন, এই ভ্যাকসিন এপ্রিলে প্রাণীর উপরে ও সেপ্টেম্বর নাগাদ মানবদেহে পরীক্ষা শুরু করা যাবে। তাদের এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

ভারতীয় সংস্থা সিরাম ইনস্টিটিউটের বয়স ৫৩ বছর। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রতিষেধক তৈরি ও বিক্রি করে দেশীয় এই সংস্থা। মহারাষ্ট্রের পুণে ছাড়াও নেদারল্যান্ডস ও চেক প্রজাতন্ত্রে এই সংস্থার আরো দুটি কারখানা রয়েছে। বিশ্বের ১৬৫টি দেশে ২০টি রোগের টিকা পাঠায় সিরাম। করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারে কাজ করে চলেছে হায়দ্রাবাদের ভারত বায়োটেক। ভারতীয় এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আমেরিকার উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যাডিসন ও আমেরিকান বায়োটেক সংস্থা ফ্লুজেন। জ়াইডাস ক্যাডিলা দু’টি এবং একটি করে প্রতিষেধকের উপরে কাজ করছে বায়োলজিক্যাল ই, ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস ও মাইভ্যাক্স। ভারতের বিপুল পরিমাণ উৎপাদন ক্ষমতায় ভরসা রাখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও।

Web Desk

We belong to that group who are addicted to journalism. Behind us, there is no big business organization to support us. Our pens do not flow under any other’s commands.

Related Articles